পাবনার সদর উপজেলার দুবলিয়া বাজারে নিবন্ধন ছাড়াই সার মজুত ও বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পৃথক দুটি অভিযানে ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপিসহ ৩৮১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের দুবলিয়া বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামারা তাসবিহা জানান, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে আবু বকর বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজে নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে সেখান থেকে ১৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ব্যবসায়ী আবদুল মান্নানের গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত করা বিভিন্ন ধরনের ২৫১ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি।
জব্দ করা ১৩০ বস্তা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর আবদুল মান্নানের গোডাউন থেকে জব্দ করা সার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রেখে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও তামারা তাসবিহা বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের দুবলিয়া বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামারা তাসবিহা জানান, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে আবু বকর বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজে নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে সেখান থেকে ১৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
অন্যদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ব্যবসায়ী আবদুল মান্নানের গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত করা বিভিন্ন ধরনের ২৫১ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি।
জব্দ করা ১৩০ বস্তা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর আবদুল মান্নানের গোডাউন থেকে জব্দ করা সার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রেখে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও তামারা তাসবিহা বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে সার বিক্রি, নিবন্ধন ছাড়া সার মজুত এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।